জুলুম নিয়ে উক্তি হাদিস ও স্ট্যাটাস ২০২৬

জুলুম নিয়ে উক্তি হাদিস গুলো দ্বারা মানুষের অত্যাচারী মনভাবগুলো ফুটিয়ে তুলে ধরা হয়। আমরা মানুষ আমাদের মধ্যে অনেকেই ভালো আবার অনেকেই আছেন মানুষের উপর অত্যাচার ও জুলুম করেন। পবিত্র কুরআনে এসব জুলুম ও অত্যাচারীদের জন্য সাস্থির কথা উল্লেখ থাকলেও অনেকেই তা জেনেও না জানার ভান করে মানুষের সাথে খারাপ আচরন করেন। আজকে আমরা এসব জুলুমকারীদের নিয়ে কিছু উক্তি ও হাদিস আপনাদের সাথে শেয়ার করব।

জুলুম নিয়ে উক্তি হাদিস

“জুলুম থেকে বেঁচে থাকো, কারণ কিয়ামতের দিন জুলুমই হবে অন্ধকারের কারণ।” — রাসূলুল্লাহ ﷺ

“আল্লাহ তাআলা বলেন: ‘হে আমার বান্দারা! আমি নিজের ওপর জুলুম হারাম করেছি এবং তোমাদের মধ্যেও তা হারাম করেছি। অতএব, তোমরা একে অপরের প্রতি জুলুম করো না।'” — হাদিসে কুদসি

“মজলুমের দোয়া থেকে বেঁচে থাকো। কারণ তার দোয়া ও আল্লাহর মাঝে কোনো পর্দা থাকে না।” — রাসূলুল্লাহ ﷺ

“যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের ওপর অন্যায় করেছে, সে যেন আজই তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নেয়, সেই দিন আসার আগেই যেদিন দিরহাম বা দিনার কোনো কাজে আসবে না।” — রাসূলুল্লাহ ﷺ

“জুলুম কখনো স্থায়ী হয় না, কিন্তু ন্যায়বিচার চিরস্থায়ী।” — ইসলামী বাণী

“মজলুমের কান্না আল্লাহর আরশ পর্যন্ত পৌঁছে যায়।” — ইসলামী শিক্ষা

“যে ক্ষমতা পেয়ে মানুষের ওপর জুলুম করে, সে আল্লাহর কঠিন বিচারের মুখোমুখি হবে।” — ইসলামী বাণী

“জুলুমকারীর পরিণতি দুনিয়াতেও লাঞ্ছনা, আখিরাতেও কঠিন শাস্তি।” — কুরআনের শিক্ষা

“ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা ইবাদত, আর জুলুম করা বড় গুনাহ।” — ইসলামী বাণী

“জুলুমের ওপর গড়ে ওঠা কোনো সফলতা দীর্ঘস্থায়ী হয় না।” — ইসলামী বাণী

“মজলুমের আহাজারি কখনো অবহেলিত হয় না; আল্লাহ অবশ্যই তার বিচার করেন।”

“যে অন্যায় দেখে তা প্রতিরোধের চেষ্টা করে, সে ন্যায়ের পথে রয়েছে।” — রাসূলুল্লাহ ﷺ (অর্থভিত্তিক)

“জুলুমকারীর সঙ্গে সহযোগিতা করাও অন্যায়ের অংশ।” — ইসলামী বাণী

“ক্ষমা মহান গুণ, কিন্তু জুলুমকে সমর্থন করা কখনো নয়।” — ইসলামী শিক্ষা

“জুলুম মানুষের সম্মান কেড়ে নেয়, ন্যায়বিচার মানুষের মর্যাদা ফিরিয়ে দেয়।”

জুলুম নিয়ে উক্তি হাদিস

“আল্লাহ ন্যায়পরায়ণদের ভালোবাসেন, আর জুলুমকারীদের পছন্দ করেন না।” — কুরআনের শিক্ষা

“যে দুর্বল মানুষের অধিকার নষ্ট করে, সে নিজের আখিরাতকে ধ্বংস করে।”

“জুলুমের বিরুদ্ধে নীরব থাকা অনেক সময় অন্যায়কে শক্তিশালী করে তোলে।”

“অন্যের হক নষ্ট করা জুলুমের অন্যতম বড় রূপ।”

“মজলুমের চোখের পানি কখনো বৃথা যায় না।”

“জুলুম করে সাময়িক লাভ হতে পারে, কিন্তু স্থায়ী সফলতা কখনো আসে না।”

“ন্যায়বিচার সমাজে শান্তি আনে, আর জুলুম সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়।”

“ক্ষমতার প্রকৃত সৌন্দর্য মানুষের সেবা করা, জুলুম করা নয়।”

“জুলুম থেকে দূরে থাকো, কারণ আল্লাহ সবকিছু দেখেন এবং সবকিছুর হিসাব নেবেন।”

“অন্যের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়াই প্রকৃত ঈমানদারের পরিচয়।”

“জুলুমের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ বা সম্মান কখনো বরকতময় হয় না।”

“যে মানুষ অন্যায়ের প্রতিবাদ করে, সে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে চলে।”

“মজলুমের দীর্ঘশ্বাসকে কখনো তুচ্ছ মনে করো না; তা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।”

“জুলুমের শেষ আছে, কিন্তু আল্লাহর ন্যায়বিচারের শেষ নেই।”

“প্রতিটি জালিমকে একদিন তার প্রতিটি অন্যায়ের হিসাব আল্লাহর কাছে দিতেই হবে।”

জুলুম নিয়ে উক্তি

এই সেকশনে জুলুম নিয়ে কিছু উক্তি আপনাদের সাথে নিচে শেয়ার করলাম, আশা করছি আপনাদের পছন্দ হয়েছে।

“জুলুমের শক্তি যত বড়ই হোক, ন্যায়ের সামনে একদিন তা অবশ্যই পরাজিত হয়।”

“অন্যের চোখের পানি দিয়ে নিজের সুখ গড়তে চেয়ো না, কারণ সেই অশ্রুর হিসাব একদিন অবশ্যই দিতে হবে।”

“জালিমের হাসি ক্ষণিকের, কিন্তু মজলুমের দোয়া চিরস্থায়ী শক্তি বহন করে।”

“যেখানে জুলুমকে স্বাভাবিক মনে করা হয়, সেখানে ন্যায়বিচার ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়।”

“জুলুম কখনো মানুষকে মহান বানায় না, বরং তার পতনকে আরও দ্রুত ডেকে আনে।”

“মজলুমের নীরবতা দুর্বলতা নয়, অনেক সময় তা আল্লাহর কাছে পৌঁছে যাওয়া সবচেয়ে শক্তিশালী অভিযোগ।”

“ক্ষমতা তখনই সুন্দর, যখন তা মানুষের অধিকার রক্ষা করে। আর সেই ক্ষমতাই অভিশাপ হয়ে যায়, যখন তা জুলুমের হাতিয়ার হয়।”

“জীবনের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হলো এমন ক্ষমতা অর্জন করা, যা মানুষকে উপকারের বদলে কষ্ট দেয়।”

“জুলুমের দেয়াল যত উঁচুই হোক, সত্যের আলো একদিন তা ভেদ করবেই।”

“অন্যায়ের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা কোনো সফলতা দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না।”

“যে অন্যের অধিকার কেড়ে নেয়, সে নিজের শান্তিকেও হারিয়ে ফেলে।”

“জালিম মানুষ পৃথিবীর আদালত থেকে বাঁচতে পারে, কিন্তু আল্লাহর বিচারের আদালত থেকে কখনো বাঁচতে পারে না।”

“জুলুমের মাধ্যমে অর্জিত সম্মান আসলে অপমানের আরেকটি নাম।”

“যে হৃদয় অন্যের কষ্ট বুঝতে শেখে, সে কখনো জুলুম করতে পারে না।”

জুলুম নিয়ে উক্তি

“মজলুমের অভিশাপকে ছোট করে দেখো না, কারণ তা কখন আল্লাহর দরবারে কবুল হয়ে যায়, কেউ জানে না।”

“জুলুম মানুষকে সাময়িক শক্তিশালী দেখায়, কিন্তু ন্যায়বিচারই তাকে ইতিহাসে সম্মানিত করে।”

“অন্যের প্রাপ্য কেড়ে নেওয়া শুধু অন্যায় নয়, এটি নিজের বিবেকের সঙ্গেও বিশ্বাসঘাতকতা।”

“জুলুমের শুরু ছোট হতে পারে, কিন্তু তার পরিণতি ভয়াবহ হয়।”

“যে অন্যের দুর্বলতার সুযোগ নেয়, সে নিজের চরিত্রের দুর্বলতাই প্রকাশ করে।”

“মজলুমের ধৈর্যকে দুর্বলতা ভেবো না, কারণ তার সবচেয়ে বড় ভরসা আল্লাহ।”

“জুলুমের রাত যত দীর্ঘই হোক, ন্যায়ের সকাল একদিন অবশ্যই আসে।”

“যে নিজের লাভের জন্য অন্যের ক্ষতি করে, সে প্রকৃত সফল নয়।”

“ক্ষমা মহৎ গুণ, কিন্তু জুলুমকে কখনো মহৎ বলা যায় না।”

“মানুষের বিচার এড়ানো সম্ভব হতে পারে, কিন্তু নিজের বিবেক আর আল্লাহর বিচার এড়ানো অসম্ভব।”

“জালিমের সবচেয়ে বড় পরাজয় তখনই হয়, যখন সত্য তার মুখোশ খুলে দেয়।”

“অন্যায়ের সামনে নীরব থাকা অনেক সময় অন্যায়কে আরও সাহসী করে তোলে।”

“জুলুমের প্রতিটি পদক্ষেপ মানুষকে আল্লাহর রহমত থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।”

“অন্যের হক নষ্ট করে যে সম্পদ অর্জিত হয়, তা কখনো প্রকৃত শান্তি এনে দিতে পারে না।”

“ন্যায়ের পথে হেরে যাওয়া, জুলুমের পথে জয়ী হওয়ার চেয়েও অনেক বেশি সম্মানের।”

“মনে রেখো, জুলুমের ইতিহাস যত দীর্ঘই হোক, শেষ অধ্যায়টি সবসময় ন্যায়বিচারের হাতেই লেখা হয়।”

জুলুম নিয়ে হাদিস 

এই সেকশনে জুলুম নিয়ে বেশ কিছু হাদিস আপনাদের জন্য শেয়ার করলাম।

আল্লাহ তাআলা বলেন: “আল্লাহ জালিমদের ভালোবাসেন না।” (সূরা আলে ইমরান: ৫৭)

আল্লাহ তাআলা বলেন: “নিশ্চয়ই জালিমরা কখনো সফল হবে না।” (সূরা আন’আম: ২১)

আল্লাহ তাআলা বলেন: “তোমরা জালিমদের প্রতি ঝুঁকে পড়ো না, অন্যথায় আগুন তোমাদের স্পর্শ করবে।” (সূরা হুদ: ১১৩)

আল্লাহ তাআলা বলেন: “আল্লাহ ন্যায়বিচার, সদাচার ও আত্মীয়কে দান করার নির্দেশ দেন এবং অশ্লীলতা, অন্যায় ও সীমালঙ্ঘন থেকে নিষেধ করেন।” (সূরা আন-নাহল: ৯০)

আল্লাহ তাআলা বলেন: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা ন্যায়বিচারের ওপর দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকো।” (সূরা আন-নিসা: ১৩৫)

আল্লাহ তাআলা বলেন: “কোনো সম্প্রদায়ের প্রতি বিদ্বেষ যেন তোমাদের ন্যায়বিচার থেকে বিরত না রাখে। ন্যায়বিচার করো, এটাই তাকওয়ার অধিক নিকটবর্তী।” (সূরা আল-মায়িদাহ: ৮)

আল্লাহ তাআলা বলেন: “আল্লাহ কোনো মানুষের প্রতি বিন্দুমাত্র জুলুম করেন না।” (সূরা ইউনুস: ৪৪)

আল্লাহ তাআলা বলেন: “তোমার প্রতিপালক তাঁর বান্দাদের প্রতি মোটেও জালিম নন।” (সূরা ফুসসিলাত: ৪৬)

আল্লাহ তাআলা বলেন: “জালিমদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।” (সূরা ইবরাহিম: ২২)

আল্লাহ তাআলা বলেন: “জালিমদের কোনো সাহায্যকারী থাকবে না।” (সূরা আল-বাকারা: ২৭০)

আল্লাহ তাআলা বলেন: “আমি জালিমদের একে অপরের বন্ধু বানিয়ে দিই তাদের কৃতকর্মের কারণে।” (সূরা আন’আম: ১২৯)

আল্লাহ তাআলা বলেন: “যে সৎকাজ করে, তা তার নিজের জন্য; আর যে মন্দ কাজ করে, তার ফলও সে-ই ভোগ করবে।” (সূরা ফুসসিলাত: ৪৬)

জুলুম নিয়ে হাদিস

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “জুলুম কিয়ামতের দিন বহু অন্ধকারে পরিণত হবে।” (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “মজলুমের দোয়াকে ভয় করো। কারণ তার দোয়া ও আল্লাহর মাঝে কোনো পর্দা নেই।” (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে এক বিঘত জমিও দখল করবে, কিয়ামতের দিন তার গলায় সাত স্তর জমি ঝুলিয়ে দেওয়া হবে।” (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “মুসলিম সেই ব্যক্তি, যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলিম নিরাপদ থাকে।” (সহিহ বুখারি)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “যে আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করে, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।” (সহিহ মুসলিম)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “অত্যাচারীকে সাহায্য করো, তাকে জুলুম করা থেকে বিরত রাখার মাধ্যমে।” (সহিহ বুখারি)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের সম্মান বা সম্পদের ওপর অন্যায় করেছে, সে যেন আজই তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নেয়।” (সহিহ বুখারি)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “কিয়ামতের দিন সকল হক আদায় করা হবে, এমনকি শিংবিহীন ভেড়ার প্রতিশোধও শিংওয়ালা ভেড়ার কাছ থেকে নেওয়া হবে।” (সহিহ মুসলিম)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “আল্লাহ জালিমকে অবকাশ দেন; কিন্তু যখন পাকড়াও করেন, তখন আর ছাড় দেন না।” (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “যে মানুষের প্রতি দয়া করে না, আল্লাহও তার প্রতি দয়া করেন না।” (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “ন্যায়পরায়ণরা কিয়ামতের দিন আল্লাহর নিকট নূরের মিম্বরে থাকবে।” (সহিহ মুসলিম)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “প্রত্যেক মুসলিমের রক্ত, সম্পদ ও সম্মান অন্য মুসলিমের জন্য হারাম।” (সহিহ মুসলিম)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “শক্তিশালী সেই ব্যক্তি নয় যে কুস্তিতে জয়ী হয়; বরং শক্তিশালী সেই ব্যক্তি, যে রাগের সময় নিজেকে সংযত রাখতে পারে।” (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “যে ব্যক্তি মানুষের ওপর দয়া করে, আল্লাহও তার ওপর দয়া করেন।” (সহিহ বুখারি)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “মানুষের মাঝে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি, যে মানুষের সবচেয়ে বেশি উপকার করে।” (হাসান, তাবারানি)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “তোমার ভাইকে সাহায্য করো, সে জালিম হোক বা মজলুম। জালিম হলে তাকে জুলুম থেকে বিরত রাখো, এটাই তাকে সাহায্য করা।” (সহিহ বুখারি)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “বান্দা যতক্ষণ তার ভাইয়ের সাহায্যে থাকে, আল্লাহও ততক্ষণ তার সাহায্যে থাকেন।” (সহিহ মুসলিম)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “আল্লাহ কোমলতা পছন্দ করেন এবং কোমল আচরণের জন্য এমন প্রতিদান দেন, যা কঠোরতার জন্য দেন না।” (সহিহ মুসলিম)

Blogger Profile Info
Profile

Bisshas Prodhan

Hi, I’m an SEO Expert and Bangla blogger who creates simple, helpful content like quotes, captions, and educational articles. I focus on making information easy to understand for everyone. I also use SEO strategies to help websites grow and reach more people online. 🌸 Visit: Amarsikkha.com

Leave a Comment